1. admin@mail.com : admin :
  2. dipu3700@gmail.com : dipu :
  3. lx@cb.com : lakshmipurmail :
  4. lakshmipurmail24@gmail.com : Lakshmipurmail24 : Lakshmipurmail24
  5. minto.raipur@gmail.com : Mahbubul Alam : Mahbubul Alam
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন

রেমিটেন্স যোদ্ধা কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এমপি অপ-প্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার নয়তো ?

পীরজাদা মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ বাবু
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০ | সময়: ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
  • ২৪৬ জন দেখেছেন

কুচক্রী মহলের চিন্তা-চেতনা সব সময় পৈশাচিক, নির্মম ও হিংস্র প্রকৃতিরই হয়ে থাকে। তাহা অতীত থেকে দেশে বিদেশে সর্বোতভাবে প্রতীয়মান। কুয়েতে একজন বড় মাপের রেমিটেন্স যোদ্ধা, মানবতার সেবক, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য, বীর বাঙালীর কথা বলছি। যিনি দীর্ঘ সাধনায়, অকান্ত পরিশ্রম ও তার মেধার সর্বোচ্চ দক্ষতায় গড়ে তুলেছেন আন্তর্জাতিক মানের অত্যান্ত উন্নত একটা গ্রুপ কোম্পানী। মারাফিয়া কুয়েতিয়া গ্রুপ অব কোম্পানী। যে কোম্পানীতে কুয়েতি, আরেকিান, ইউরোপ, আফ্রিকান, চায়না, মিশর, নেপাল, শ্রীলঙ্কান, ভারত, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশসহ অনেক দেশের শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তা চাকুরী করেন থাকেন। যার পরিমাণ ২০ হাজারের ও অধিক। কুয়েতিসহ সব দেশের কর্মকর্তা কর্মচারীর সমন্বয়ে কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তার মধ্যে বাংলাদেশের একটা বিশাল অংশ ব্যাবস্থাপনা কার্যক্রমে জড়িত। তাদের সংখ্যা ৫ শতাধিক। তাদের মাসিক বেতন ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। ৫ শতাধিক বাংলাদেশী কর্মকর্তা, কর্মচারী  স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আরাম দায়ক, সুন্দর জীবন জীবন-জীবীকা নির্বাহ করে নিষ্ঠা ও সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

একজন পাপুল নিজ মেধায়, দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘ দিন যাবত গুরুত্বপূর্ণ কন্ট্রাক্টগুলো পরিচালনা করে আসতেছেন। যেমন:

##        সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন অফিস কিনার, টি-বয় ও ফরাসের কক্ট্রাক্ট।

##        কয়েত পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন এর পেট্টল পাম্প এর কক্ট্রাক্ট।

##        কুয়েত এয়ারপোর্ট কিনার, ফরাস ও ট্রলিম্যানের কন্ট্রাক্ট।

##        সরকারী-বেসরকারী সংস্থা ও হাইকার মার্কেটের সিকিউরিটি কক্ট্রাক্ট।

##        কুয়েত স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিনার, টি-বয় ও সেসেঞ্জারের কন্ট্রাক্ট।

##        কুয়েতের বিশাল অংশের মসজিদের কন্ট্রাক্ট।

##        বড় বড় হাইফার মার্কেটের কিনার, হেলপার ও ট্ররিম্যান এর কন্ট্রাক্ট।

##        কুয়েতে অনেকগুলো সরকারী বেসরকারি সংস্থা ও হাইফার মার্কেটের সিকিউরিটি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট মেইন্টেইনেন্স এর কন্ট্রাক্ট।

##        বিল্ডিং নির্মাণ, মেরামত ও মেনটেইন্যান্স কন্ট্রাক্ট।

##        কেওসি আহম্মেদী হাসপাতালের ফরাস কিনার কন্ট্রাক্ট।

##        বিমান মেরামতের কন্ট্রাক্ট।

##        বেশ কয়েক বছর কুয়েতের বিশাল এলাকার বলেদিয়া বা মিউনিসিপালিটির বড় ধরণের ড্রাইভার, লেবার, কিনার, ফরাসের কন্ট্রাক্ট।

##        কুয়েতে ইউএসএ আর্মিদের ক্যান্টমেন্ট এর ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুয়েল হ্যান্ডেলিং, কিনিংসহ সর্বপ্রকার সেবামূলক সার্ভিস সমূহের কন্ট্রাক্ট।

এছাড়া ছোট বড় আরো অনেক কন্ট্রাক্ট কুয়েতের সর্বত্র নিখুঁতভাবে পরিচালনায় গৌরব অর্জন করেন একজন মানবতার সেবক রেমিটেন্স যোদ্ধা, বীর বাঙালী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসেদর মাননীয় সংসদ সদস্য কাজী মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুল।

কুয়েতের এয়ারপোর্টে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, মসজিদে, ইউএসএ আর্মি ক্যান্টমেন্টে গেলে চোখে পড়ে পাপুল এমপির মারাফি বা এমকে কোম্পানীর লোগো। কুয়েতের ব্যাপক এলাকায় দিনে রাতে সর্বত্র দেখা যায় বলদিয়া বা মিউনিসিপালিটির কাজে ব্যস্ত শত শত মারাফি কোম্পানীর গাড়ি, কেওসি আহাম্মেদ হাসপাতালে, পেট্টোল পাম্প, হাইফার মার্কেটগুলোতে বাজার করতে গেলে সর্বত্র দেখা যায় মারাফি আর মারাফি/এমকে।

এসব দেখে বুর্জুয়াদের ও প্রতিযোগী কোম্পানীগুলোর চক্ষুশূল হয়েছে। যখন কোনভাবে একজন মেধাবী বীর বাঙালীকে ধমানো যাচ্ছে না, তখন তারা মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে হেনস্থা করার দেশী বিদেশী কিছু হলুদ মিডিয়া ব্যবহার করছে অস্ত্র হিসেবে। এতেও তারা ব্যর্থ হয়ে আমাদের দেশের কিছু মোস্তাক, প্রতিহিংসা পরায়ন, চক্রান্তকারী দেশের শত্রু হুন্ডি ও চোরাকারবারিদের সাথে হাত মিলায়। তারা বেশ কয়েকমাস যাবত কিছু শ্রমিককে উস্কানি দিয়ে পাপুল সাহেবের বিরুদ্ধে মিছিল, স্টাইক ও মিথ্যা অভিযোগ করে দিয়ে মামলা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইহাতে মোস্তাক গংরা অনেকটা সফলও হয়েছেন।

তাদের প্রথম অভিযোগ ১ হাজার কেডি করে নবায় ফি আদায়- যা সঠিক নয়। কোম্পানী শুধু ইন্স্যুরেন্স ফি, স্ট্যাম্প ফিসহ ন্যুনতম ফি গ্রহণ করেন। পাপুল সাহেব কারো কাছ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণের প্রশ্নটি যথাযথ নয়। সুতরাং ভিসা বাবত অর্থ পাপুল সাহেব কখনো গ্রহণ করেন নি। তিনি ঢাকা অফিসকে ভিসা প্রসেস করে ন্যুনতম সার্ভিস চার্জ গ্রহণ সাপেক্ষে লোক প্রেরণের দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। আমরা সবাই হয়তো অবগত নই যে, এজেন্ট বা অফিসের সাথে ভিসা কার্যক্রমের কয়েকটা মাধ্যম বা হাত বদল হয়ে থাকে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীরা অনেক টাকা গ্রহণ করে থাকে। এরজন্য পাপুল সাহেব এর কিছু করার থাকে না। মধ্যস্বত্বভোগীরাই এরজন্য দায়ী। অতীত থেকে একইভাবে এদের মাধ্যমেই সকল দেশে শ্রমিক গমন করে থাকে। মারাফিয়া কুয়েতিয়া কোম্পানীর কোনো টর্চার সেল বলতে কোনো কিছুই নেই। এটি সাজানো অপপ্রচার। প্রায় সব কোম্পানীতেই টাকা বা কেডি দিয়ে রিলিজ নিতে হয়। একমাত্র মারাফিয়া কোম্পানী হতে রিলিজে কোনো দিনার প্রদান করতে হয় না। গত ৫ বছরে এ কোম্পানীতে ৮০% শ্রমিক এসেছে কোম্পানরী পুরাতন শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে। তাদের আত্বীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী আসলেও তাদের কোনো অভিযোগ নেই। লক্ষ্মীপুর ও দাউদকান্দি থেকে অনেকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে কোম্পানীতে এসেছেন। ২০% শ্রমিক শ্রমিক এসেছেন মধ্যস্বত্বভোগী ও ভিসার দালালদের মাধ্যমে ৫/৬ জনের হাত বদল করে অনেক টাকার বিনিময়ে। এটার জন্যতো পাপুল সাহেব দায়ী নয়। মারাফি কোম্পানীর শত শত নতুন শ্রমিক প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করে আসছে। শুধু দোষ একটাই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা মালিক শহিদ ইসলাম পাপুল একজন বাঙালী।

আমাদের কুয়েক প্রবাসী বন্ধুদের বলছি, আপনারা কি বিনা খরচে কুয়েতে আসতে পেরেছেন ? অন্য কোন কোম্পানীর বিরুদ্ধে লেখেন অথবা প্রতিবাদ করে দেখেনতো দেখি! যেই প্রতিবাদ করবেন পরের দিন ঐ কোম্পানী জুতা ছাড়া দেশে প্রেরণ করবো। এমন অনেক প্রমাণ বিদ্যমান। কিছু বেঈমান লোভে পড়ে মিথ্যা অভিযোগ করে জুড়া ছাড়া দেশে গিয়েও বাড়িতে ঢুকতে পারেনি। আল্লাহর বিচার শুরু হয়ে গেছে।

কুয়েতে কোন মানব পাচার হয় না। পাপুল সাহেব বৈধভাবে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের শ্রমিক এনে নিজ কোম্পানীতে চাকুরীর ব্যবস্থা করেন। পাপুল সাহেব একজন মানবতাবাদী ও দেশ প্রেমিক। তিনি কুয়েতে দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে অর্জিত অর্থ দেশে বিনিয়োগ করেছেন এবং সারা বাংলাদেশে দুস্থ্য মানবতার সেবা করে আসতেছেন।

কুয়েত হতে শত শত বাংলাদেশীদের লাশ নিজ খরচে অসহায় পরিবারের নিকট পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে আসতেছেন। কুয়েত ১২শত এর অধিক শ্রমিকের জেল জরিমানা মোকাবেলা করে নতুন পাসপোর্ট বানিয়ে নিজ কোম্পানীতে রেসিডেন্স লাগিয়ে কাজের ব্যবস্থা করেছেন। শত শত বাংলাদেশীকে আকামা লাগিয়ে আর্থিক ও ব্যবসায়ীকভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।

বহু বৎসর পর কুয়েতে পাপুল সাহেব অকান্ত পরিশ্রমে, ডোনেশনে এবং বেশ কিছু ব্যবসায়ীর ডোনেশানসহ বঙ্গবন্ধু স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পাপুল সাহেব প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত। পাপুল সাহেবও বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে বিজনেস ফোরাম গঠন করেন। পাপুল সাহেব প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, কুয়েত এর।

পাপুল সাহেব নিজ পরিশ্রমের অর্থ বিনিয়োগ করেছেন এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকে। তাইতো পাপুল ই বড় মাপের রেমিটেন্স যোদ্ধা, দেশ প্রেমিক বীর বাঙালী। অথচ অনেকেই কুয়েতে তেমন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াই বিভিন্ন কোম্পানীর ভিসা বেচা কেনাই তাদের একমাত্র ব্যবসা ছিল। তারাই অনেক বেশি টাকায় হাজার হাজার শ্রমিক কুয়েতে এনে, অনেকেই আজ অবৈধ ও প্রতারণার শিকার। তারা তাদের আয়ের সর্ব অর্থ কানাডা বেগম পাড়ায় বিদেশে বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশী কুয়েত প্রবাসী ও বাংলাদেশের অনেকেই মুখরোচক ও মিথ্যা ইউটিউব ও ফেইসবুকে নিউজ দেখে বাজে মন্তব্য ও ফেইসবুকে নিউজ স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তাহা আদৌ মনে হয় ঠিক হচ্ছে না।

একজন পাপুল সাহেব ইচ্ছা করলে অনেক বছর আগেই আমেরিকা বা কানাডা, লন্ডন বিনিয়োগ করতে পারতেন। ঐ সকল দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে বসবাস করে সুখী জীবনযাপন করতে পারতেন। পাপুল সাহেব দেশকে ভালোবাসেন, দেশের মানুষকে ভালোবাসেন, দেশের দুস্থ ও গরীব মানুষকে সেবা করাই ছিল তাঁর মূল উদ্দেশ্যে।

ইতোপূর্বে কুয়েত সরকারের ক্রিমিনাল এভিডেন্স ডিপার্টমেন্ট থেকে শহিদ ইসলাম পাপুল সাহেবকে ‘গুড কন্ডাক্ট’ সার্টিফিকেটও প্রদান করেছেন। কিন্তু দেশী ও বিদেশী চক্রান্তকারীদের প্রচেষ্টায় কিছু সংখ্যক বাংলাদেশী বেঈমান, অর্থলোভী ও কুলাঙ্গারদের মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে পাপুল সাহেবকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে আটক করে রেখেছেন।

অতএব পরিশেষে বলব, শহিদ ইসলাম পাপুল সাহেব একজন মানবতার সেবক। কুয়েতে বাংলাদেশী মডেল। শত অপবাদ ও মিথ্যা প্রপাগান্ড ছড়িয়ে লাভের চেয়ে বাংলাদেশীদের ক্ষতিই বেশি হবে। আল্লাহ সর্বাজ্ঞ। সুদীর্ঘ দিন থেকে প্রবাসীরা কুয়েতিদের চোখে আজনবী/হিন্দ/মিচকিন/বাঙ্গালী নামে সম্বোধন করতো। আমাদের কে কোন পরিবারের শিক্ষিত অশিক্ষিত, ধনী-গরবী, মিয়া-ভূঁইয়া, কাজী-সৈয়দ সকলের মূল্য কুয়েতে সমান ছিল। পাপুল সাহেবই এই ধারা থেকে বের করে এনেছেন। সম্মানের ও মর্যাদার কাতারে এনেছেন। কুচক্রিদের ষড়যন্ত্রে আগের এই নামগুলোতে আমাদের ব্যঙ্গ করে ডাকবেন। একজন পাপুলকে হেনস্থা করা মানে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৫ লক্ষ বাংলাদেশীকে হেনস্থা করার সমান। বাংলাদেশের জাতীয় সংসেরদ সকল সাংসদকে অপমান করার সমান। বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনগণকে হেনস্থা করা, ছোট করে দেখা। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সবিনয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, কুয়েতে মারাফি কোম্পানীতে ১৫ হাজার এর অধিক শুধু বাংলাদেশ শ্রমিক চাকুরী করে থাকে। তাদের চাকুরী এখন অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্যে। প্রায় সকলেই আতঙ্কিত দিনাতিপাত করতেছেন। তাই ১৫ হাজার কুয়েত প্রবাসী ও তাদের পরিবার পরিজনদের কথা ও দেশের সুনামের কথা বিবেচনা করে আপনার নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্্ঘাটন করে একজন বীর রেমিটেন্স যোদ্ধা, মানবতার সেবক, গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্যকে ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল থেকে উদ্ধার করার জন্য কুটতৈনিক সহযোগিতা প্রদান পূর্বক দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের সবিনয় আকুল আবেদন করছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে সথ্য মিথ্যা বুঝার তৌফিক দান করুক ও সবাইকে হেদায়েত নসীব করুক। আমীন।

লেখক : পীরজাদা মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুগ্ম আহ্বায়ক, রায়পুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ। মোবাইল: 01714684704, ফেসবুক আইডি : https://www.facebook.com/salauddin.babu.1297

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ :

tools, webmaster icon কারিগরি সহযোগিতায় : মো: নজরুল ইসলাম দিপু, মোবাইল: 01737072303

কারিগরি সহযোগিতায়:লক্ষ্মীপুর ওয়েব সলুয়েশন